হনুমান জী হলেন পরম রাম ভক্ত । তিনি
মহাদেবের অবতার । তাঁকে রুদ্র অবতার ও
বলা হয় । হনুমান জীর পিতা হলেন কেশরী
মায়ের নাম অঞ্জনা । অঞ্জনা দেবী পূর্ব
জন্মে স্বর্গের এক অস্পরা ছিলেন । চঞ্চল
স্বভাবের জন্য ঋষি দুর্বাসার শাপে তিনি
পৃথিবীতে বানর কূলে জন্ম নেন । হনুমান জীর
পালক পিতা ছিলেন পবন দেবতা । কিন্তু
মহাদেব কেন বানর কূলে জন্ম নিলেন ? এর
একটা কারন আছে । একবার দশানন রাবণ
জোর করে কৈলাশ এ প্রবেশ করতে গেলেন ।
দ্বার পাহাড়ায় ছিলেন নন্দী মহারাজ । এক
প্রস্থ হাতাহাতিও হয়ে গেলো । রাবণ নন্দী
কে দেখে পশু , মানুষ বলে উপহাস করাতে
নন্দী রেগে রাবণ কে শাপ দিলেন ‘নর বানর
এর হাতেই তোর ধ্বংস’ । তাই বানর কূলে
মহাদেব ছাড়া অনান্য দেবতারা জন্ম নিলেন
বানর রূপে । স্বয়ং শ্রীপতি জনার্দন জন্ম
নিলেন দশরথ রাজার ঘরে রাম রূপে । তিনি
ছিলেন নর রূপে নারায়ণ ।
হনুমান জী ছিলেন ছোট বেলায় খুব চঞ্চল ।
গাছের ফল মূল আর পাকতে হতো না । স্বয়ং
বিশ্ব পিতা মহাদেব মায়ের কোল পেয়ে হয়ে
গেলেন সাধারন এক বানর শিশুর মতোই ।
যেমন ভগবান বিষ্ণু যশোদা গৃহে নানা রকম
দুষ্টামি , মাখন চুরি করে বেড়াতেন । যশোদা
দেবী কে শুনতে হতো নালিশ । মায়ের কোল
এমনই – ভগবান ও আত্মহারা হয়ে যান ।
চঞ্চলতা এমন পর্যায়ে গেলো একদিন হনুমান
সূর্য কে ফল ভেবে খেতে গেলেন । আকাশে
ভ্রমণের বিদ্যা হনুমান জী পবন দেবতার
থেকেই পেয়েছিলেন । সূর্য দেবতাকে
গিলেই ফেললেন । চতুর্দিকে অন্ধকার নেমে
এলো । ইন্দ্র দেবতা তখন বজ্র প্রয়োগ করে
হনুমান জীকে ধরাশায়ী করে সূর্য কে উদ্ধার
করলেন । এদিকে হনুমান জী কে আহত দেখে
পবন দেবতা খুব ক্রুদ্ধ হয়ে বিশ্বের সকল বায়ূ
হরণ করলেন । বিশ্বে ঘোর দুর্যোগ নেমে
এলো , তখন সমস্ত দেবতা মিলে হনুমান জীকে
সুস্থ করে তাঁকে নানা অদ্ভুত বর প্রদান
করলেন । হনুমান জী চাঁর যুগে অমর।
হনুমান জী এর পর তার দৈব বিদ্যা দিয়ে
দুষ্টুমি করে বেড়াতে লাগলেন । অনেক সময়
দেখা যেতো ধ্যান মগ্ন কোন মুনিকে উড়িয়ে
নিয়ে আর এক জায়গায় রেখে আসতেন ।
গাছের ফল আর গাছে থাকলো না । একদিন
এক মুনি তাঁকে শাপ দেন ‘সে তাঁর সমস্ত
শক্তি ভুলে যাবে, কালান্তরে কেউ তাঁকে
মনে করালেই তাঁর সমস্ত শক্তির কথা মনে
পড়বে’। লঙ্কা তে যাবার সময় জাম্বুবান
তাঁকে সমস্ত শক্তির কথা মনে করিয়েছিলেন
। হনুমান জী সুগ্রীবের সাথেই থাকতেন ।
লঙ্কা থেকে দেব- ব্রাহ্মণ – শাস্ত্র
বিদ্বেষী রাক্ষস বাহিনী দক্ষিণ ভারতে
অনেক স্থানে হামলা করতো । হনুমান জী এই
রাক্ষস দের বধ করে সকল কে রক্ষা করতেন ।
হনুমান জী কিন্তু রাম প্রসাদ ভিন্ন আহার
করেন না । তাঁর প্রসাদে তুলসী পত্র না দিলে
তাঁর উদর তৃপ্তি হয় না । একদিন সীতা দেবী
হনুমান কে তুলসী ভিন্ন আহার দিয়েছিলেন ।
হনুমান জি গোগ্রাসে খেতে লাগলেন । এমন
হল যে খাবার শেষ , কিন্তু হনুমান জীর উদর
শান্ত হল না । শেষে সীতা দেবী একটি তুলসী
পত্র নিবেদন দিতেই হনুমান জী ঢেঁকুর তুললেন।
হনুমান জী চার যুগে অমর । যেখানে রাম
কথা , রাম লীলা , রাম নাম হয় সেখানে উনি
সূক্ষ্ম দেহে থাকেন ।
Thursday, June 15, 2017
হনুমান জী'র মাহাত্ম্য কথন
Hey visitor! I'm Satyajit Roy holding a big name of famous indian film director! but not for nothing at all ��. Trying to write something about something.
গোপাল-বিষ্ণুর কথন
★গোপাল-বিষ্ণুর জন্ম-কর্ম সদাই দিব্যময় যা জাগতিক ধারনার ঊর্ধ্বে।তাঁর জড়জগতে অনেকবার জন্ম অতীত হয়েছে!! মৎস্যাবতার, বরাহ, বামন, কুর্মাবতার, ভার্গবরাম, নৃসিংহদেব আদি অবতারভাবে। তিনি বারবার অবতাররুপে জন্মগ্রহণ করেন তা সুন্দরভাগে স্পষ্টভাবেই ঋগবেদ সংহিতার #বিষ্ণুসুক্তেই আছে...
★ঋগবেদ সংহিতায় বিষ্ণুর জড়জগতে অবতরণ কথাঃ
পরো #মাত্রয়া তন্বা বৃধান ন তে
#মহিত্বমন্বশ্নু #বন্তি ।
(ঋগবেদ সংহিতা ৭/৯৯/০১)
♦অনুবাদঃ হে বিষ্ণু! তুমি ত্রিমাত্রাতীত শরীর বর্ধমান হলে তোমার মহিমা কেউ অনুব্যাপ্ত করতে পারেনা।
♦তাৎপর্যঃ এখানে স্পষ্টতই বশিষ্ঠ ঋষি পরম গুহ্যজ্ঞানকে প্রকাশ করে বলছেন, স্বয়ংভগবান বিষ্ণু ত্রিলোকে বিভিন্নরুপে অবতরণ করলে সবাই তাঁকে ত্রিগুনাতীত, অব্যয় ভগবান হিসেবে অনুধাবন করতে পারে না।
কিমিত্তে #বিষ্ণু পরিচক্ষ্যং ভূৎপ্র যদ্ববক্ষে শিপিবিষ্টো অস্মি। মা বর্পো অস্মদপ গূহ #এতদ্যদন্যরূপঃ সমিথে বভূথ।।
(ঋগবেদ সংহিতা ০৭/১০০/০৬)
♦অনুবাদঃ হে বিষ্ণু! আমি "শিপিবিষ্ট" নামে আখ্যায়িত করছি,সেটা কি যথাযথ নয়? #সংগ্রামে(ধর্ম সংস্হাপন-অসুরবিনাশহেতু) তুমি অন্যরূপ ধারন করো না,আমাদের নিকট হতে তোমার শরীর গুপ্ত করো না।
♦তাৎপর্যঃ স্বয়ং ভগবান নিজ অন্তরঙ্গা যোগমায়া দ্বারা সমাবৃত হয়ে বিভিন্নরুপে প্রকাশিত নন,তাই সকলে তাকে সমভাবে অজ,অব্যয় দিব্যস্বরুপ জানতে পারে না। তাই বশিষ্ঠ ঋষির প্রার্থনা, বিষ্ণু যে রুপই ধারন করুন না কেন তিনি যেন বিষ্ণুকে তাঁর নিজ স্বরুপেই জানতে পারেন,বুঝতে পারেন।।
লিখেছেন- প্রভু সজীব তালুকদার।
Hey visitor! I'm Satyajit Roy holding a big name of famous indian film director! but not for nothing at all ��. Trying to write something about something.
Tuesday, June 13, 2017
যজ্ঞের প্রকৃত তথ্য
যজ্ঞে নাকি পশু বলি হত। অনেকের তথ্যের ধরন কিছুটা এরকম-
১)গোমেধ যজ্ঞ-এখানে নাকি গরু বলি দেয়া হত।
২)অশ্বমেধ যজ্ঞ-এখানে নাকি ঘোড়া বলি দেয়া হত।
কিন্তু মজার বিষয় এই যে, নরমেধ যজ্ঞে মানুষ বলি দেয়া হত এমনটা কিন্তু কাউকে বলতে শোনা যায়না।
উপনিষদ, ব্রাহ্মন গ্রন্থসমূহের উপর জ্ঞান না থাকায় আমরা গোমেধ, অশ্বমেধ, নরমেধ ইত্যাদি পবিত্র শব্দ গুলির অর্থ না জেনেই শোনা কথার উপর ভিত্তি করেই বলে বেড়াই যে , বেদে যজ্ঞে গো-অশ্ব বলি দেওয়ার বিধান আছে !
পবিত্র বেদের প্রথম মন্ডলের প্রথম সুক্তের চার নং মন্ত্রে যজ্ঞকে 'অধ্বরং' বলা হয়েছে।বৈদিক ব্যকরন গ্রন্থ নিরুক্ত এর ১.৩৩ এ বলা হয়েছে 'অধ্বরং' অর্থ হল অহিংস অর্থাৎ যজ্ঞ হল অহিংস। সেখানে রক্তপাতের কোন প্রশ্ন ই আসেনা।আর পবিত্র বেদে যেখানে পশুহত্যা নিষিদ্ধ করা হয়েছে, পশুদের উপকারী জীব বলে সেবা করতে বলা হয়েছে সেখানে যজ্ঞতে পশুবলীর চিন্তা আনাটাও অমূলক!
★অশ্বমেধ যজ্ঞ কি?
"রাষ্টং বৈ অশ্ব মেধঃ । অগ্ন হি গৌঃ ।অগ্নির্বা অশ্বঃ আজ্যং মেধঃ ॥(শতপথ ব্রাহ্মন ১৩.১.৬.৩)
অনুবাদ- অশ্ব হল রাষ্ট্রের প্রতীকি নাম(সুপ্রশাসকের প্রগতিশীল রাষ্ট্র অশ্বের ন্যয় বেগবান এই অর্থে)।এই রাষ্ট্রের মেধ(প্রগতি) কামনায় যে যজ্ঞ রাজা করেন তাই অশ্বমেধ যজ্ঞ।
★গোমেধ যজ্ঞ কি?
গো শব্দের ৯টি অর্থের মধ্যে একটি হল পৃথিবী। পৃথিবী ও পরিবেশের নির্মলতা কামনায় যে যজ্ঞ বা উপাসনা তাই গোমেধ যজ্ঞ।
★নরমেধ যজ্ঞ কি?
মানুষের মৃত্যুর পর তার আত্মার সদগতি কামনায় যে অগ্নিদাহাদি ভিত্তিক অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যে যজ্ঞ করা হয় তাই নরমেধ যজ্ঞ।
অশ্ব,গবাদি পশু ইত্যাদি হত্যা করে ,হোম বা যজ্ঞ করার বিধান কোন প্রামাণ্য শাস্ত্রে নেই। কেবল পৌরাণিক যুগে ভণ্ডের দল এই সব পাপাচার প্রচার করে সমাজের মহা সর্বনাশ করেছে।
দয়া ,প্রেম ,সাম্য ,মানবতা ,অহিংসা মানুষের পরম ধর্ম।
এর বিপরীত আচরন পশুহত্যা করে ধর্মাচরণ তো হয়ই না বরং পাপ"ই হয়।
ওঁ শান্তি শান্তি শান্তি
"জয় শ্রী কৃষ্ণ"
Hey visitor! I'm Satyajit Roy holding a big name of famous indian film director! but not for nothing at all ��. Trying to write something about something.
কৃষ্ণ ভক্তের কোনও দুঃখ-কষ্ট নেই । এই কথাটি ঠিক কি না ?
উত্তরঃ কৃষ্ণভক্ত দুই রকমের । শুদ্ধভক্ত এবং মিশ্র ভক্ত । মিশ্র ভক্তের জর-জাগতিক অভিলাষ থাকে । জর জগত্ স্বরূপে দঃখময় । অতএব এখানে দুঃখকষ্টহীন অবস্থা লাভ করা যায় না । শুদ্ধভক্ত ঐকান্তিকভাবে কৃষ্ণের শরণাগত থাকেন । অন্য অভিলাষ থাকে না । জর জাগতিক কি দুঃখ কি সুখ এ বিষয়ে উদাসীন । তিনি কৃষ্ণচেতনায় অবস্থান করেন । কৃষ্ণ আনন্দময় । তঁর ভক্তও আনন্দিত থাকেন ।শ্রীল রূপ গোস্বামী বলেছেন, শুদ্ধভক্তি একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল ক্লেশঘ্নী ।অর্থাত্, শুদ্ধভক্তি ভক্তের যাবতীয় ক্লেশ নাশ করেন । জীবের এ জগতে ক্লেশের করণ তিনটি পাপ, পাপবীজ ও অবিদ্যা ।পাপ দুই প্রকার অপ্রারব্ধ ও প্রারব্ধ । যে পাপ কর্ম সংস্কার রূপে জীবের সূক্ষ্ম দেহে রয়েছে এবং যার ফল উদয়ের সময় এখন উপস্থিত হয়নি, সেই পাপকে বলা হয় অপ্রারব্ধ ।যে পাপ সূক্ষ্ম সংস্কাররূপে চিত্তে রয়েছে তাকে পাপবীজ বলে । সেটি পাপকর্ম নয়, তা হল পাপবাসনা । বাসনা রূপে রয়েছে । সেই বাসনা যে কোনও সময় কর্মরূপে প্রকাশিত হতে পারে এবং পরিণামে তার ফলও পেতে হবে ।অবিদ্য হচ্ছে, বিদ্যা বা জ্ঞানের বিবরীত অজ্ঞান । অনিত্য বস্তুতে নিত্য বুদ্ধি, অশুচিতে শুচি জ্ঞান্ম দুঃখে সুখবুদ্ধি এবং অনাত্মাকে আত্মবোধ এগুলি অবিদ্যা ।শুদ্ধভক্তি এই সমস্ত রকমের ক্লেশের কারণকে নষ্ট করে দিতে পারেন বলেই ঐকান্তিক কৃষ্ণভক্তির অনুশীলনকারী ভক্তের কোনও দুঃখকষ্ট নেই বলে উল্লেক্ষ করা হয় ।।
Hey visitor! I'm Satyajit Roy holding a big name of famous indian film director! but not for nothing at all ��. Trying to write something about something.
প্রশ্নঃ- ঈশ্বর এক হলে এত দেব-দেবী কেন?
উত্তরঃ- শ্রীমদ্ভগবদগীতার নবম অধ্যায়ের ১৬ থেকে ১৯তম শ্লোকে স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন-
"আমি শ্রৌত যজ্ঞ, আমি স্মার্ত যজ্ঞ,আমি। পিতৃযজ্ঞ,আমি ঔষধি অন্ন বা ভেষজ,আমিই হোমাদি সাধন ঘৃত,আমি অগ্নি,আমি এজগতের পিতা-মাতা-বিধাতা-পিতামহ যা কিছু জ্ঞেয় এবং সব পবিত্র বস্তু তা আমিই।
আমি ব্রহ্মবাচক ওঙ্কার আমি ঋগ্ ,সাম,যজুর্বেদ স্বরূপ। আমি গতি আমি প্রভু,আমি শুভাশুভ,আমি রক্ষক,আমি স্রষ্টা,আমি সংহর্তা এবং আমি ভূমি হতে জল আকর্ষন করি, আমিই পুর্নবার জল বর্ষণ করি। আমি জীবের জীবন,আমিই জীবের মৃত্যু।"
অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে ঈশ্বর শুধু আমাদের সৃষ্টি কর্তাই নন, তিনিই সবকিছু বা সব কিছুতেই তিনি আছেন। ঈশ্বর সর্বব্যাপী এবং সর্বত্র বিরাজমান বিশ্ব ব্রহ্মান্ডে একটিই 'সত্ত্বা' আছে তা হলো ঈশ্বর আর অন্য সবকিছু তাঁরই 'বহুরূপে প্রকাশ ' মাত্র। অর্থাৎ সর্বভূতের ন্যায় সর্ব দেবতাও একই ঈশ্বরের গুনের বিভিন্ন রূপের প্রকাশ।
গীতার চতুর্থ অধ্যায়ের ১১তম শ্লোকে ভগবান স্বয়ং বলেছেন-
যে যথা মাং প্রপদ্যন্তে তাং স্তথৈব ভজাম্যহম্।
মম বর্ত্মানুবর্তন্তে মনুষ্যাঃ পার্থ সর্বশঃ॥
অনুবাদঃ- হে অর্জুন, যে ব্যক্তি যেভাবে আমাকে ভজন করে, সে ব্যক্তিকে আমি সেভাবে তুষ্ঠ করি।
সহজ কথায় ভগবানের বিভিন্ন শক্তিকে আমরা বিভিন্ন দেব-দেবী রূপে পূজা করে থাকি। তবে ভগবানকে আমরা কখনো বহু চিন্তা করি না। আমাদের চারপাশে আমরা যে সব দেব-দেবীর পূজা করি বা হতে দেখি মূলত তা ঈশ্বরের বিভিন্নরূপের প্রতীকেরই প্রার্থনা করি। হরে কৃষ্ণ।।
Hey visitor! I'm Satyajit Roy holding a big name of famous indian film director! but not for nothing at all ��. Trying to write something about something.
Monday, June 12, 2017
ভগবান কোথায় বাস করেন?
এই অনন্তকোটি জড় বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মা শ্রীব্রহ্মসংহিতায় বর্ণনা করেছেন -"এই দেবীধাম, তার উপরে মহেশধাম, তার উপরে হরিধাম বা বৈকুণ্ঠএবং সবার উপরে এই গোলোক নামক নিজধাম অর্থাৎ স্বয়ং ভগবানেরপরম ধাম। এবং এই সকল প্রকার, সেই সেই ধামে সেই সেই প্রভাব যিনি বিধান করছেন সেই পরমেশ্বর ভগবান আদিপুরুষ শ্রীগোবিন্দকে আমি ভজনা করি।"এখন, এত প্রকার ধামে কোথায় কে থাকেন যদি নির্দেশ করা যায় তাহলে ভগবানের গোলোক ধামের অবস্থানটা নির্ণয় করা যেতে পারে। দেবীধাম বলতে অনন্তকোটি জড় বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে বোঝায়। তা শ্রীকৃষ্ণের বহিরঙ্গা শক্তি মহামায়া দুর্গাদেবী পরিচালনা করেন। পাতাললোক থেকে ব্রহ্মলোক পর্যন্ত সমগ্র দেবীধামটাই জন্ম-মৃত্যু-জরা-ব্যাধির চক্রে আবর্তিত হচ্ছে, অর্থাৎ তা নিত্য নয়। এই ব্রহ্মাণ্ডের সংখ্যা অগণিত, ঠিক যেন এক গাড়ি সরিষা বীজের মতো, যার মধ্যে এই ধরাধাম হল একটি ছোট্ট সরিষাদানার মতো। এই সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের ঊর্ধ্বে রয়েছে চিন্ময় আকাশ। তার মধ্যে রয়েছে মহেশধাম বা শিবলোক। তার ঊর্ধ্বে হরিধাম - ভগবান শ্রীকৃষ্ণের বিস্তার শ্রীবিষ্ণুর বৈকুণ্ঠধাম। সবার ঊর্ধ্বে শুদ্ধ ভক্তগণের পরম আদরণীয় পরমারাধ্য দ্বিভুজ মুরলীধর শ্রীকৃষ্ণের পরমধাম শ্রীগোলোক বৃন্দাবন।আজ থেকে পাঁচ হাজার বছর আগে স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ তাঁর অন্তরঙ্গা শক্তির মাধ্যমে নিজেই এই ধরাধামে অবতীর্ণ হয়ে সেই গোলোকধামের বর্ণনা প্রদান করে গেছেন। যা তিনি বহু পূর্বে সূর্যদেবকে দান করেছিলেন। স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ নির্দেশ দিয়েছেন, সেই অব্যক্ত অক্ষয় চিন্তামণি ধামই সমস্ত জীবের পরম গতি। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রতি নিষ্ঠাভক্তির মাধ্যমে কোনদিন যদি কেউ সেখানে যেতে পারেন তবে আর কখনই তিনি এই দুঃখময় জগতে ফিরে আসেন না। কারণ তিনি নিত্যধামে নিত্যানন্দময় জীবনে আসীন হন। সেই দিব্য সচ্চিদানন্দময় ধামই ভগবানের পরম ধাম। আবার সেই ভগবান যুগপৎ ব্রহ্মাণ্ডের অণু-পরমাণুতে রয়েছেন
-'অণ্ডান্তরস্থপরমাণুচয়ান্তরস্থং'।
তিনিই অংশাবতার ক্ষীরোদকশায়ী বিষ্ণুরূপে প্রতিটি জীবের হৃদয়ে নির্বিকার সাক্ষীর মতো পরমাত্মারূপে বিরাজ করছেন।।
কিন্তু জীবাত্মার ক্ষুদ্র স্বাধীনতার অপব্যবহারের ফলে সে তা ভুলে যায়।
এই সম্পর্কে শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন -
'সর্বস্য চাহং হৃদি সন্নিবিষ্টো মত্তঃ স্মৃতিজ্ঞানমপোহনং চ।।
'অর্থাৎ, "আমি সবার হৃদয়ে অবস্থিত এবং আমার থেকে সমস্ত জীবের স্মৃতি ও জ্ঞান উৎপন্ন হয় আবার বিলোপও হয়।" (গীতা, ১৫.১৫)
আমরা যদি ভগবদ্ অনুগত হয়ে কৃষ্ণভাবনাময় জীবনযাপন করি, তবেআমাদের স্মৃতি ও জ্ঞান জাগ্রত হবে; নতুবা যদি আমরা বৈদিক শাস্ত্র বিরুদ্ধ জীবন প্রণালীতে চলি তবে আমাদের স্মৃতিশক্তি জ্ঞানবুদ্ধি বিলুপ্ত হবে। বর্তমান যুগে অর্থাৎ আধুনিক নব্য প্রণালীতে কিছু কিছু মানুষ জীবকেই ভগবান বলে মনে করে। বহু দরিদ্র পতিত মানুষকেঅন্নবস্ত্র দান করে সমাজে তারা বড় বড় সমাজসেবী বলে পরিচিতি লাভ করছে। কিন্তু দেহত্যাগের পর প্রতিটি জীবের কর্মফল অনুসারে স্বর্গ কি নরকে গিয়ে, সুখভোগ কি দুর্ভোগ করবে - তা চিন্তা করা যথার্থ পরোপকারীর কর্তব্য। দুর্লভ মানবজীবনে প্রত্যেকের ভগবদ্মুখী জীবনধারাটাই সর্বপ্রযত্নে গ্রহণ করা আবশ্যক এবং যা শুধু এই জন্মেই নয়, জন্মজন্মান্তর ধরে আমাদের প্রকৃত সুখশান্তি প্রদান করবে। সমগ্র বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের যত দেবদেবী যত জীবকুল সবাই পরমেশ্বর পরমনিয়ন্তা শ্রীকৃষ্ণের ভৃত্য। তা কেউ মানুক আর নাই মানুক। 'একেলা ঈশ্বর কৃষ্ণ, আর সব ভৃত্য।' তাতে নিজেদেরকে ভগবান বলে মনে করাটা কত বড় বিভ্রান্তি। কতবড় মূর্খতা তা বোঝা উচিত।
শ্রীপদ্মপুরাণে উল্লেখ আছে -
"নাহং তিষ্ঠামি বৈকুণ্ঠে যোগীনাম্ হৃদয়েষু বা।
মদ্ভক্তাঃ যত্র গায়ন্তি তত্র তিষ্ঠামি নারদঃ।।
"ভগবান ভক্তশ্রেষ্ঠ শ্রীনারদকে বলছেন -"আমি বৈকুণ্ঠে থাকি না, যোগীদের হৃদয়েও নয়; হে নারদ! যেখানে আমার ভক্তরা আমার কার্যকলাপ ও আমার মহিমার কথা গুণকীর্তন করে সেইখানে আমি অবস্থান করি।
"শ্রীদুর্বাসা মুনিকে ভগবান বলেছেন - 'আমি ভক্তজনপ্রিয়, ভক্তই আমাকে চিন্তা করে, আমিও ভক্তের জন্য চিন্তা করি।' (শ্রীমদ্ভাগবত, ৯.৪.৬০)
অর্থাৎ, ভগবান সর্বত্র যুগপৎ বিরাজ করলেও বিশেষরূপে ভক্তজনপ্রিয়। তাই ভক্ত হওয়ার জন্য আমাদের প্রত্যেকের চেষ্টা করা উচিত। যাঁরা সর্বাকর্ষক শ্রীকৃষ্ণকে ভালবাসেন তাঁরা তাঁর অপ্রাকৃত চিত্র, তাঁর মন্দির, তাঁর শ্রীবিগ্রহ, তাঁর শ্রীনাম, তাঁর কথা, তাঁর প্রসাদ, তাঁর ভক্ত - সবার প্রতি অবশ্যই আকৃষ্ট হবেন। তখন তাদের নিষ্কপট ভগবদ্ভক্তিময় চক্ষুতে ভগবান কোথায় আছেন আর কোথায় নেই- তা উপলব্ধি হবে।। হরে কৃষ্ণ।।
Hey visitor! I'm Satyajit Roy holding a big name of famous indian film director! but not for nothing at all ��. Trying to write something about something.
আমাদের প্রিয় বন্ধু কে??
পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ হচ্ছেন আমাদের
পরম প্রিয় বন্ধু । আমরা এটা ভুলে গিয়েছি ।আমরা সবাই
কোন এক প্রিয় বন্ধু পাওয়ার জন্য খুবই ব্যস্ত ।
প্রত্যেক মানুষ এইপ্রকার অনুসন্ধান করে চলেছে।
পুরুষ স্ত্রীর সঙ্গে মৈত্রী করতে চায়, আর স্ত্রী পুরুষদের
সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চায়। আবার একজন পুরুষ অন্য পুরুষের
অন্বেষণ করে এবং এক স্ত্রী অন্য স্ত্রীর অন্বেষণ করে বন্ধুত্বের জন্য ।
এটা কেন হচ্ছে?
কেননা আমরা এরকম এক প্রিয় বন্ধুর সহযোগীতা কমনা করি
যিনি আমাকে সাহায্য করতে পারবেন এই জীবন হচ্ছে সংঘর্ষময় এবং এটা স্বাভাবিক । আর আমাদের এই জীবনে
আমাদের একমাত্র পরম প্রিয় বন্ধু হচ্ছে ব্রজেন্দ্র নন্দন
পরমেশ্বর শ্রীকৃষ্ণ ।
তিনি সবসময় আমাদের দিকে দুহাত বাড়িয়ে আছেন
আমাদের উচিত সমস্ত জড় বাসনা ভুলে তাঁর দিকে হাত
বাড়ানো.
তাহলেই আমাদের মুক্তি !!!!......হরে কৃষ্ণ .........
.........জয় শ্রী বাসুদেব কৃষ্ণ......
Hey visitor! I'm Satyajit Roy holding a big name of famous indian film director! but not for nothing at all ��. Trying to write something about something.
সনাতন হিন্দু ধর্মে মায়ের স্থান কোথায়?
হিন্দু ধর্মে মায়ের স্থান অনেক উঁচু। চণ্ডীতে স্তব মন্ত্রে বলা হয়েছে....
“যা দেবী সর্বভূতেষু মাতৃরূপেণ সংস্থিতা”।
আর সন্তান এর কাছে মায়ের স্থান কোথায় হবে সে বিষয়ে হিন্দু শাস্ত্রে সুস্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে। সে বিষয়ে জানতে আমরা মনুসংহিতা্র একটি শ্লোক দেখবো....
উপাধ্যায়ান্ দশাচার্য্য আচার্য্যণাং শতং পিতা।
সহস্রন্ত্ত পিতৃন্মাতা গৌরবেণাতিরিচ্যতে ।। মনুসংহিতা, ২/১৪৫
অনুবাদঃ- দশজন উপাধ্যায় থেকে একজন আচার্যের গৌরব বেশি।
একশত আচার্যের থেকে পিতার গৌরব বেশি এবং সহস্র পিতা অপেক্ষা মাতা সম্মানার্হা। পিতা মাতার ঋণ সন্তান শত সহস্র জন্মেও শোধ করতে পারে না।
যংমাতাপিতরৌ ক্লেশং সহতে সম্ভবে নৃণাম্।
ন তস্য নিষ্কৃতিঃ শক্যা কর্তুং বর্ষশতৈরপি ।।
মনুসংহিতা, ২/২২৭
অনুবাদঃ- সন্তান জননে পিতামাতা যে ক্লেশ সহ্য করেন পুত্র শত শত বৎসরে, শত শত জন্মেও সেই ঋণ পরিশোধ করতে সমর্থ নয়।
এ ছাড়া শাস্ত্রে আরও বলা হয়েছে মাতৃভক্তি দ্বারা এই ভূলোক জয় করা সম্ভব।
ইমং লোকং মাতৃভক্ত্যা।।
মনুসংহিতা, ২/২৩৩
অনুবাদ :মানুষ মাতৃভক্তি দ্বারা এই ভূলোক জয় করতে পারে।
খুবই গুরুত্বপূর্ণ কথাটি রামায়ণে ভগবান রামচন্দ্র বলেছিলেন...
জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপী গরিয়সী।।
এই সকল শাস্ত্র বাক্য দ্বারা আমরা সহজেই বুঝতে পারলাম সনাতন ধর্মে মায়ের স্থান কোথায়। তাই আমাদের প্রত্যেকের কর্তব্য নিজের জন্মদাত্রী মাকে যথাযথ সন্মান প্রর্শন করা।।
Hey visitor! I'm Satyajit Roy holding a big name of famous indian film director! but not for nothing at all ��. Trying to write something about something.
Sunday, June 11, 2017
#পরমেশ্বর_ভগবান_কে? #তিনি_কেমন_দেখতে? #তিনি_কোথায়_থাকেন? #সেই_ধাম_দেখতে_কেমন? #সেখানে_কোন_মানুষ_যেতে_পারবে_কি? #জীবনে_মানুষের_পক্ষে_কি_ঈশ্বর_দর্শন_সম্ভব?
আসুন জেনে নেই.....
শ্রীব্রক্ষসংহিতা শাস্ত্রে শ্রীব্রক্ষার ভগবদ্ স্তুতিতে অত্যন্ত সুন্দর ভাবে বলা হয়েছেঃ
“ঈশ্বরঃ পরমঃ কৃষ্ণঃ সচ্চিদানন্দবিগ্রহঃ।
অনাদিরাদিগো'বিন্দঃ অাসব'কারণকারণম্।”
অথ্যা'ৎ,"ব্রজেন্দ্রনন্দন শ্রীকৃষ্ণই পরমেশ্বর ভগবান।তিনি সৎ,চিৎ ও আনন্দময় পুরুষ। তিনি সব' ইন্দ্রিয়ের দ্বারা একমত্র সেব্য প্রভু। তিনি সব কিছুর মূল রুপ অনাদিরও আদি, তিনি সমস্ত কারনের পরম কারন।(ব্রক্ষসংহিতা৫/১) তিনি দেখতে পরম সুন্দর।বণ'না রয়েছেঃ
“বেণুং ক্বণন্তমরবিন্দদলায়তাক্ষং
বহা'বতংসমসিতাম্বুদসুন্দরাঙ্গম্।
কন্দপ'কোটিকমনীয়বিশেষশোভং
গোবিন্দমাদিপুরুষং তমহং ভজামি।”
অথ্যা'ৎ,"তিনি বেণুবাদন করতে থাকেন।তাঁর দুই নয়ন পদ্মপাপড়ির ন্যায় বিকশিত।তাঁর মস্তকে ময়ুরের পুচ্ছ শোভিত।জলভরা নীল মেঘের মতো তার অঙ্গকান্তি। তিনি কোটি কোটি কন্দপে'র অত্যন্ত কমনীয় রুপ অপেক্ষাও বিশেষ রুপে শোভাযুক্ত। সেই আদি পুরুষ গোবিন্দকে আমি ভজনা করি। "(ব্রক্ষসংহিতা ৫/৩০) আর বন'না রয়েছেঃ
“আলোলচন্দ্রক লসদ্ বনমাল্য বংশী-
রত্নাঙ্গদং প্রণয়কেলিকলাবিলাসম্।
শ্যামং ত্রিভঙ্গললিতং নিয়তপ্রকাশং
গোবিন্দমাদিপুরুষং তমহং ভজামি।”
অথ্যা'ৎ,"দোলায়িত ময়ুর পুচ্ছ শোভিত বনমালা তার গলদেশে, তাঁর দুই হাদে বংশী ও রত্নাঙ্গদ তিনি সব'দা প্রণয় কেলিকলা বিলাসে সুনিপুণ,অত্যান্ত ললিত ত্রিভঙ্গ ভঙ্গিতে তিনি দন্ডায় মান হন। তিনি মনোহর শ্যামসুন্দর রুপে নিয়দ প্রকাশমান।সেই আদি পুরুষ গোবিন্দকে আমি ভজনা করি। (ব্রক্ষসংহিতা ৫/৩১) তিনি থাকেন শ্রীগোলক বৃন্দাবনে। বলা হয়েছেঃ
“গোলোকনাম্নি নিজধাম্নি তলে চ তস্য
দেবী-মহেষ-হরি-ধামাসু তেষু তেষু
তে তে প্রভাবনিচয়া বিহিতাশ্চ যেন
গোবিন্দমাদিপুরুষং তমহং ভজামি।”
অথ্যা'ৎ, "এই চেীদ্দভূবন বিশিষ্ঠ দেবীধাম, তার উপরে শিবধাম, তার উপরে বৈকুন্ঠধাম এবং সবার উপরে গোলক নামক কৃষ্ণধাম।সেই সমস্ত ধামে বিভিন্ন প্রভাব সমুহ যিনি বিধান করেছেন, সেই আদি পুরুষ গোবন্দকে আমি ভজনা করি (ব্রক্ষসংহিতা ৫/৪৩) সেই গোলক ধামের বর্ণনা রয়েছেঃ
চিন্তামণি প্রকরসদ্মসু কল্পবৃক্ষ
লক্ষাবৃতেষু সুরভীরভীপালয়ন্তম্।
লক্ষীসহস্রশত সম্ভ্রম সেব্যমানং
গোবিন্দমাদিপুরুষং তমহং ভজামি “
"সেই ধামে চিন্ময় রত্নসমূহের দ্বারা বিরোচিত প্রাসাদ রয়েছে। কোনও জড় বস্তু দিয়ে সেই জগৎ গঠিত নয়। সেখানে কল্পবৃক্ষ রয়েছে। এই জগতে যদি কখন কোন কল্প বৃক্ষ থাকে, তবে তার কাছে ধর্ম,অর্থ,কাম ও মোক্ষরুপ ফল পাওয়া যেতে পারে ; কিন্তু কৃষ্ণলোকে কল্পবৃক্ষ প্রেমভক্তির নান বৈচিত্ররুপ অনন্ত ফল দিয়ে থাকে। সেই লক্ষ লক্ষ কল্পবৃক্ষ পরিবেষ্টিত দিব্য রত্নময় আলয়সমুহ সেখানে বিদ্যমান। সেই আলয় সমুহে সুরভী গাভীসকল পালিত হচ্ছে। সাধারণ কামধেনু দোহন করা মাত্রই দুধ দেয়, আর গোলকের কামধেনু সমুহ ভক্তদের কেবল ক্ষুধা-তৃষ্ণা নিবারণ করে তাই নয়,সেই কাম ধেনু সকল চিন্ম পরমানন্দ ধারায় প্রেমের স্রোত বইয়ে অনগ'ল দুগ্ধামৃতের মহাসমুদ্র সৃষ্টি করে। শতসহস্র গোপিসুন্দরী-লক্ষীগণ পরম যত্ন সহকারে সেখানে শ্রী কৃষ্ণের সেবা
করছেন।" সেই ধামে মানুষ যেতে পারে। শ্রীকৃষ্ণ-প্রতিনিধি সদ্ গুরুর কৃপায় শুদ্ধ
ভক্তিপূন' কৃষ্ণভাবনাময় স্বীয় চিদবৃত্তিকে অবলম্বন করে সেই গোলক ধামে উপনীত হওয়া যায়। জড়জাগতিক কামনাবাসনাময় নেত্রে নয়, প্রেম নেত্রেই ভগবান কে দেখা যায়। "ভগবৎ প্রেমের রঞ্জনে রঞ্জিত ভক্তিনেত্রে নিষ্টাবান সাধুগণ সর্বদা তাঁদের হৃদয়ে সেই অচিন্ত্যগুণবিশিষ্ট পরমসুন্দর শ্যামসুন্দরকে দর্শন করেন।
Hey visitor! I'm Satyajit Roy holding a big name of famous indian film director! but not for nothing at all ��. Trying to write something about something.